বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বক্তব্যের জন্য আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন কাদের

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বক্তব্যের জন্য আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন কাদের

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশে করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন: আমি অশ্লীল বক্তব্য প্রদানকারী অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে ধরে নেব, এটা বিএনপির দলীয় বক্তব্য। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব। আশা করছি বিএনপি নেতাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বরাতে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে: বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক শিষ্টাচারে বিশ্বাসী। ঐতিহ্যগতভাবেই রাজনীতিতে বিনয়, সহমর্মিতা, পরমতসহিষ্ণুতা চর্চা করে আওয়ামী লীগ। দলে কিংবা সরকারে কেউ শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ করলে তাকে ছাড় দেয়া হয় না, এ কথা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বার বার প্রমাণ করেছেন। যত বড় রাজনৈতিক পরিচয় হোক, অন্যায়, অনিয়ম কিংবা রাজনৈতিক শিষ্টাচার অথবা শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজ করলে দল কখনো তার পক্ষে দাঁড়ায় না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশবাসী দেখেছে একজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বহীন বক্তব্য এবং অসদ আচরণের জন্য দেশরত্ন শেখ হাসিনা ছাড় দেননি। আর তার বিপরীতে দেশবাসী দেখলো বিএনপি মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার দলের একজন নেতার অশালীন বক্তব্যকে নির্লজ্জভাবে কীভাবে দলীয়ভাবে সমর্থন দিল। দেশবাসী বিস্মিত, ক্ষুব্ধ এবং লজ্জিত। বিএনপি নেতারা রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে ভু-লুণ্ঠিত করেছে। বিএনপি লালন করে প্রতিহিংসা, ষড়যন্ত্র আর পরশ্রিকাতরতা। তাদের মাঝে কৃতজ্ঞতাবোধ নেই, তারা কৃতঘ্ন। তারা জন্মলগ্ন থেকে রাজনীতির সুষ্ঠু ধারা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিবেশকে কলুষিত করে আসছে।

অবশ্য বিএনপি এমনই এক দল যাদের কৃতজ্ঞতাবোধ কখনো ছিল না, এখনও নেই। দলগতভাবে তারা শিষ্টাচার বর্জিত দল। মঞ্চে-সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপি নেতা-নেত্রীরা যে সব ভাষায় বক্তব্য রাখেন, তা বলারও অযোগ্য, ছাপারও অযোগ্য। কথায় ও কাজে পরিশীলিত রুচিবোধ ও শালিনতা তাদের মাঝে নেই বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিএনপি নেতা আলালের এমন অরাজনৈতিক কুরুচিপূর্ণভাষাকে কীভাবে রাজনীতিতে সজ্জন বলে বিবেচিত মীর্জা ফখরুল সাহেবরা যৌক্তিকতা আছে বলে পাবলিকলি সার্টিফিকেট দেন বলেও বিস্ময় প্রকাশ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com